সদ্য সংবাদ :
অর্থ ও বাণিজ্য

ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী শিল্পোদ্যোক্তা : প্রসঙ্গ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য

Published : Wednesday, 7 April, 2021 at 7:49 PM
মো. জাহাঙ্গীর আলম: রাজশাহী জেলার গোদাগড়ির মেয়ে নাজমা খাতুন এসএসসি পাস করে কোলের শিশু সন্তানকে নিয়ে হোষ্টেলে থেকে প্যারামেডিকসের উপর পড়ালেখা শেষ করেন। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরিও করেছেন কয়েক বছর। প্যারামেডিকসের চাকুরি করার সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে উদ্যোক্তা বিষয়ে কয়েকটি প্রশিক্ষণ নেন তিনি। নাজমা সবসময় ভাবতেন, তাকে চাকুরির চেয়েও বড় কিছু করতে হবে। মনে মনে ভাবতেন একদিন ব্যবসা শুরু করবেন, একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে নিজেই কর্মসংস্থান তৈরি করবেন। উদ্যোক্তা হবার মনবাসনা নিয়ে তিনি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট স্কিটি থেকে উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণও নেন। নাজমা স্বামী একটি জুতার কারখানার মার্কেটিং ম্যাজেনারের চাকরি করতেন। নাজমা তার স্বামীকে জানালেন তিনি উদ্যোক্তা হবেন এবং একটি জুতার কারখানা করবেন। উদ্যোক্তা হওয়া এবং জুতার কারখানা করা কঠিন হলেন নাজমা শেষ পর্যন্ত স্বামীকে বুঝাতে সক্ষম হলেন অদম্য মানসিকতা এবং কঠোর পরিশ্রমেই এটা সম্ভব।

 

২০০৫ সালে ঢাকার বাড্ডায় ভাড়া বাড়ির একটি কক্ষে সমিতি থেকে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে নাজমা ও তার স্বামী ছোট পরিসরে একটি মেশিন ও দুইজন কর্মচারি নিয়ে জুতার ফ্যাক্টরি শুরু করেন। দুই মেয়ের নাম অনুসারে নাম দেন কুসুমকলি সু ফ্যাক্টরি। কয়েক মাসের মধ্যেই নাজমা খাতুন বুঝতে পারলেন কারখানা চালাতে আরো পুঁজি লাগবে। একটি  বেসরকারি ব্যাংক থেকে চার লাখ টাকা ঋণ নেন। দেশের বৃহত্তম জুতার মার্কেট ফুলবাড়িয়ার বিভিন্ন দোকানে জুতা সরবরাহ শুরু করেন। কিছু দিনের মধ্যেই বে-ইম্পেরিয়াম, জেনিস, বাটা সু  দেশের বৃহত্তম তিনটি সু কোম্পানিতে কুসুমকলি সু ফ্যাক্টরির উৎপাদিত জুতা সরবরাহ শুরু করেন। ২০১২ সালে কুসুমকলি সু ফ্যাক্টরির কার্যক্রম দেখে একটি বেসরকারি ব্যাংক ৪৫ লাখ টাকা ঋণ দেয়। ৬৫ জন কর্মচারি নিয়ে নাজমার সু ফ্যাক্টরি এগিয়ে চলছিলো। হঠাৎ বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট  থেকে লাগা আগুনে পুড়ে যায় পুরো কারখানাটি। ক্ষতি হয় প্রায় সোয়া কোটি টাকা। ব্যাংকে জমা থাকা মাত্র ১৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা দিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়ায় নাজমার কুসুমকলি সু ফ্যাক্টরি। বর্তমানে তার কারখানায় ৪০০ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। দেশের গন্ডি পেরিয়ে মালয়েশিয়ায় নাজমা খাতুনের তিনটি শো’রুমে জুতা বিক্রি হচ্ছে। চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করে নাজমা খাতুন মাঝারি শিল্পখাতে একজন সফল নারী শিল্পোদ্যোক্তা। অর্জন করেছেন এসএমই ফাউন্ডেশন থেকে শ্রেষ্ঠ মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তা পুরস্কার। নাজমা খাতুন যেমন নিজের আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হয়েছেন, তেমনি তৈরি করেছেন শত শত মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ। আর এভাবে অবদান রাখছেন জাতীয় অর্থনীতিতে। অদম্য মানসিকতাই, সাহসিকতা, সততা এবং কঠোর পরিশ্রমই এনে দিয়েছেন নাজমা খাতুনের আজকের এই সফলতা।

 

লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়াশোনার পর চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করে তানিয়া ওয়াহাব হয়েছেন একজন সফল নারী শিল্পোদ্যোক্তা। পরিবারের কেউ ব্যবসা-বাণিজ্যে না থাকলেও নিজের মনোবল দিয়ে চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনের কাজ শুরু করেন ২০০৫ সালে। তিনিও অর্জন করেছেন সফল নারী শিল্পোদ্যোক্তাসহ আরো অনেক পুরস্কার।

 

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কাতলামারি গ্রামের মেয়ে রেজবীন বেগম পেশায় শিক্ষিকা ছিলেন। ২০১৪ সালে একজন কর্মী ও একজন সহযোগী নিয়ে গড়ে তোলেন পিপলস ফুটওয়ার অ্যান্ড লেদার গুডস নামের একটি চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। আজ তিনি একটি সফল নারী শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। তিনি অর্জন করেছেন সফল নারী শিল্পোদ্যোক্তার পুরস্কার। নাজমা খাতুন, তানিয়া ওয়াহাব এবং  রেজবীন বেগম মতো শত শত নারী শিল্পোদ্যোক্তারা দেশে আজ চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করে নিজেদের আত্মকর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি সৃষ্টি করছেন হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ। দেশের অর্থনীতিতে চামড়াজাত শিল্পের অবদান দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের উৎপাদিত চামড়াজাত পণ্য দেশের প্রয়োজন মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

 

 দেশের কর্মসংস্থান তৈরি ও শিল্পায়নে এ খাতের ভূমিকা অনেক পুরোনো। স্বাধীনতা পূর্ববর্তী  সময়ে চামড়া শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও রপ্তানি উভয় পর্যায়েই দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে খাতটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। শিল্পোৎপাদন ও দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান যথাক্রমে প্রায় ২ শতাংশ ও ০.৬ শতাংশ। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনে সরাসরি নিয়োজিত প্রায় ৬ লাখ এবং পরোক্ষভাবে প্রায় তিন লাখ মানুষ। রপ্তানি বহুমূখীকরণের ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় খাতগুলোর অন্যতম চামড়া শিল্পখাত।  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি শিল্প চামড়া ও চামড়াজাত উৎপাদিত পণ্য। চামড়া শিল্পের ভ্যালু এডিশন ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে যে আয় হয়, তার বিপরীতে এই খাতে ব্যবহার করা রাসায়নিক ছাড়া আর তেমন কিছু আমদানি করতে হয় না। তৈরি পোশাকে ১০০ টাকা রপ্তানি হলে ৫০ টাকার বেশি চলে যায় এই খাতের সংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানিতে। ২০১৭ সালে সরকার চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকাকে বর্ষসেরা পণ্য হিসেবে ঘোষণা করে। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে পাঁচশত কোটি মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করেছে।

 

শিল্পখাত বিবেচনায় চামড়া শিল্পখাতে নারী উদ্যোক্তা এবং এ খাতে নারীর কর্মসংস্থান অনেক বেশি। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য যেমন জুতা, ব্যাগ, ভ্যানিটি ব্যাগ, মানি ব্যাগ, বেল্ট, জ্যাকেট উৎপাদন করে নারীরাও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে আসতে শুরু করেছেন অনেক আগে থেকেই। দেশে নারী উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি হওয়া এবং বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত হওয়ার কারণে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি নারীদের কর্মসংস্থানের হারও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। জাতীয় অর্থনীতিতে এ খাতের মাধ্যমে নারীদের অবদান বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যাংক, বীমা, আর্থিক-প্রতিষ্ঠান, সমবায় সমিতির মতো সরাসরি আর্থিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। প্রশিক্ষণ গ্রহণ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা যে হওয়া সম্ভব, তা এখন নারীরা জানে।

 

বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখন ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী শিল্পোদ্যোক্তার সংখ্যা প্রায় ২৪ লাখ। মাস্টারকার্ড  অব উইমেন এন্টারপ্রেনিউরস  (এমআইডব্লিউই) এর এক জরিপে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট উদ্যোক্তার ৩১ দশমিক ৬ শতাংশ নারী। নারী উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। এসএমই ওমেন এন্টারপ্রেনিউরস ডিরেক্টরি ২০১৫ অনুযায়ী দেশে লেদার অ্যান্ড লেদার গুডস এর ওমেন এন্টারপ্রেনিউরস এর সংখ্যা প্রায় শতাধিক। এ সকল নারী উদ্যোক্তারা সবাই ক্ষুদ্র ও মাঝারিখাতে শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে সফল হয়েছেন। যদিও অধিকাংশ নারী শিল্প উদ্যোক্তাকেই প্রতিষ্ঠা পেতে হচ্ছে নানা বাধা অতিক্রম করে। উদ্যোক্তা নারীদের সহায়তা দিতে মহিলা বিষয়ক অধিফতরের আওতায় নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রয়াস কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত হচ্ছে ‘জয়িতা’ বিপণন কেন্দ্র এবং তৃণমূল পর্যায়ে ১৬ হাজারের বেশি নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতি রয়েছে। এ সমিতিগুলোর সদস্যদের মধ্যে আছেন অসংখ্য নারী উদ্যোক্তা এবং সফল উদ্যোক্তা।

 

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৯ সালে তৈরি হয় একটি নীতিমালা। এ নীতিমালায় নারী অংশীদারিত্ব সম্পর্কে - এ খাতে সামগ্রিক সাপ্লাই-চেইনে নারীদের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিকল্পে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে বলা হয়েছে। তাছাড়া এ নীতিমালা ‘খাত ও অবকাঠামো উন্নয়ন’ অংশে চামড়া শিল্পে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে এবং অসঙ্গতি দূর করতে শিল্পকারখানায় জেন্ডার বিষয়ে বিদ্যামান নীতিমালায় অনুশীলন, পর্যালোচনা, মূল্যায়ন ও সমন্বয়ন সাধন করার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এ নীতিমালায়  ‘দক্ষতা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন’ অংশে - নারীর অংশগ্রহণসহ একটি দক্ষ জনবল গঠন করার লক্ষ্যে চামড়া, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা শিল্পের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারিত করতে বৃত্তিমূলক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।

 

জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ এর অধ্যায় ১০ এ শিল্পায়নে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ ও বিকাশ বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়েছে। নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের প্রাক-পরামর্শ, প্রকল্প প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন ও উদ্বুদ্ধকরণে সহায়তা দানে  প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে মর্মে উল্লেখ রয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প করপোরেশন (বিসিক), বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক), ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএমই) ফাউন্ডেশন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং সেবা প্রদান করার বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে। এতে আরো উল্লেখ রয়েছে, নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকারি খাতে সকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকারভিত্তিতে প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। মাইক্রো, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে নারী শিল্পোদ্যোক্তাগণ যেন নিজেদের প্রতিষ্ঠা করতে পারে সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক সহায়তা এবং প্রণোদনা প্রদানের বিষয় বিবেচনা করবে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য জামানতবিহীন ঋণ প্রদানের পরিমাণ ও পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা আছে। নারীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য ব্যাংকগুলোর প্রচলিত নীতিমালা পর্যালোচনা ও সহজীকরণ করা হবে। আর্থিক ও ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থার সাথে সমন্বয় করে বাংলাদেশ ব্যাংক নারীবান্ধব ব্যাংকিং সেবা ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। উচ্চমানের প্রকল্প প্রস্তাবনার জন্য নারী উদ্যোক্তাদের বন্ধকীমুক্ত ঋণ ও গ্রুপ ঋণ প্রদানের বিষয়ে বিবেচনার ব্যবস্থা থাকবে এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাতে শিল্প স্থাপন ও পরিচালনায় নারী শিল্পোদ্যোক্তাগণ যাতে ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে সেজন্য প্রণোদনামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

 

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য বাংলাদেশের একটি অন্যতম সম্ভাবনাময় শিল্পখাত। এ শিল্পখাতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরা এগিয়ে আসছে। এটি এমন একটি শিল্পখাত, যেখানে সময়ের সাথে চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনে বৈচিত্র্যতা আনতে হয় এবং প্রতিনিয়ত কর্মীদের নতুন নতুন বিষয়ে দক্ষ হতে হয়। চামড়াজাত পণ্য ফ্যাশন জগতের সাথে এটি সরাসরি সম্পৃক্ত। আর এ কাজটি নারী উদ্যোক্তারা অত্যন্ত শৈলী- সুদক্ষতার সাথে করতে পারেন। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের এ খাতকে আধুনিক ও টেকসই প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পখাতে হিসেবে গড়ে তুলতে নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। এতে তাদের ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি লাভ দুটোই সম্ভব হবে। একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে নিজের আত্মকর্মসংস্থান তৈরির পাশাপাশি অন্য নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। ২০৩০ সালে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ দেশে গঠনে উদ্যোক্তা উন্নয়নের কোনো বিকল্প। চতুর্থ শিল্প বিল্পবের এই সময়, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনে নারীর সক্ষমতা ও সফলতা দেখানোর এই ক্ষণে নারী শিল্পোদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতেই হবে। নিজের আবারও প্রমাণ করতে হবে অসীম সাহসিকতা আর অদম্য শক্তির প্রতীক হিসেবে।














মো. জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র তথ্য অফিসার, পিআইডি।


(পিআইডি-শিশু ও নারী উন্নয়নে যোগাযোগ কার্যক্রম বিষয়ক ফিচার)



এবিনিউজ টুয়েন্টিফোর বিডিডটকম//এফ//







সম্পাদক: শাহীন চৌধুরী
উপদেষ্টা সম্পাদক: হেলেনা বিলকিস চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক: বরুণ ভৌমিক নয়ন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: সৈয়দ আফজাল বাকের, ঢাকা অফিস: ২/১ হুমায়ুন রোড (কলেজ গেট) মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ ফোন: ৮৮-০২-৪৮১১৯৪৯৫, হটলাইন: ০১৭১১-৫৮৩৬২৩, ০১৭১৭-০৯৮৪২৮, চট্টগ্রাম অফিস- আবাসিক সম্পাদক: জাহিদুল করিম কচি, নাসিমন ভবন (দ্বিতীয় তলা) ১২১, নূর আহমেদ রোড, চট্টগ্রাম ফোন: ০৩১-২৫৫৭৫৪২ হটলাইন: ০১৭১১-৩০৭১৭১, E-mail : [email protected], Web : www.abnews24bd.com, Developed by i2soft Technology Ltd.
Close