পটুয়াখালীতে যাত্রীবাহী বাস-ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন অন্তত ৩৫ যাত্রী। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পটুয়াখালী সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন পায়রা পেট্রোল পাম্প মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের আব্দুস সালাম হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর হাওলাদার (৩৫), বাউফল উপজেলার বিলবিলাস গ্রামের ধীরেন মিস্ত্রীর মেয়ে তিথী (২৩), গলাচিপা উপজেলার আমখোলা গ্রামের রাজ্জাক প্যাদার ছেলে কাইয়ুম প্যাদা (৫০), একই উপজেলার চার আনি বাউরিয়া গ্রামের অনিল হাওলাদারের মেয়ে শিল্পী রানী (৪০)।
ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের মরদেহ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। দুর্ঘটনার পর বাসটি মহাসড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। বাসটিতে অন্তত ৩৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে পুলিশ জানায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার তালতলী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি বাস বসাক বাজার সংলগ্ন পায়রা পেট্রোল পাম্প মোড় অতিক্রমকালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও অটোরিকশাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে অটোরিকশাটি বাসের নিচে চাপা পড়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তিনজনই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। পরে উদ্ধার অভিযানে বাসটির নিচ থেকে আরও একজনের মরদেহ পাওয়া যায়।
সদর থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক এসআই মো. বেল্লাল হোসেন বলেন, পুলিশের রেকার দিয়ে বাসটি তুলে আনা হয়েছে। সর্বশেষ বাসের নিচ থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মোট চারজন নিহত হয়েছেন।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, নিহতদের মরদেহ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এবিনিউজ টুয়েন্টিফোর বিডিডটকম//আর//