Publish: Wednesday, 26 August, 2026, 9:36 PM
নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। সময় যত গড়াচ্ছে, কাদা ও ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উঠে আসছে আরও মরদেহ। এ ঘটনায় অন্তত ৩৪১ জন বিদেশি পর্যটকসহ চার শতাধিক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরের দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরাঞ্চলীয় রসুয়া জেলায় এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নেপাল পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজদের সন্ধানে রসুয়া জেলাজুড়ে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। পর্যটন বোর্ডের তথ্য মতে, নিখোঁজ ৩৪১ জন বিদেশির তালিকায় ১০৫ জন ভারতীয়, ১৭ জন মালয়েশিয়ান, ১২ জন ব্রিটিশ, ৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ৩ জন আমেরিকান, ১ জন অস্ট্রেলিয়ান ও ১ জন ডাচ নাগরিক রয়েছেন। বাকিদের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি।
নেপালের সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে এলাকায় মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই শক্তিশালী এই পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, নেপাল ও সংলগ্ন চীন অংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় দুই দেশ যৌথভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে। এখন পর্যন্ত নেপালের ২৬ জন সাধারণ পুলিশ, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ ও ৪৪ জন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের একাধিক কর্মকর্তারও সন্ধান মিলছে না।
ধসে পড়া অবকাঠামো ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগের কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। লাশের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও উদ্ধারকর্মীরা।
এবিনিউজ টুয়েন্টিফোর বিডিডটকম//এফ//