কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। তবে সেই চাপ সামলে ইশান কিষাণের বিধ্বংসী ৭৭ রানের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭৫ রানের সংগ্রহ গড়ে তোলে তারা। জয়ের জন্য পাকিস্তানকে করতে হবে ১৭৬ রান।
ম্যাচের শুরুতেই চমক দেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা।
পেসারদের বদলে নিজেই বোলিং ওপেন করেন এবং প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মাকে শূন্য রানে ফেরান। অফস্পিনে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দেন ভারতীয় ওপেনার।
শুরুর ধাক্কা সামলে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ইশান কিষাণ। দ্বিতীয় ওভারে শাহীন শাহ আফ্রিদিকে একটি ছক্কা ও একটি চার মারেন তিনি।
তিলক ভার্মাও ব্যাট হাতে সঙ্গ দেন। আবরার আহমেদ ও শাদাব খানের বিপক্ষেও আক্রমণ অব্যাহত রাখেন দুজন। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন ইশান। শেষ পর্যন্ত ৪০ বলে ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সাইম আইয়ুবের বলে বোল্ড হন তিনি।
দ্বিতীয় উইকেটে তিলকের সঙ্গে ৪৬ বলে ৮৭ রানের জুটি গড়েন ইশান।
ইশান ফেরার পর তিলক ভার্মা ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব রানের গতি ধরে রাখার চেষ্টা করেন। তবে ১৫তম ওভারে ম্যাচে নাটকীয় মোড় আনেন সাইম আইয়ুব। একই ওভারে তিলক (২৫) ও হার্দিক পান্ডিয়াকে শূন্য রানে ফেরান তিনি। পরপর দুই বলে দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত।
শেষ দিকে শিভম দুবে ও সূর্যকুমার রানের গতি বাড়ান। আবরারের ওভারে ছক্কা হাঁকান দুবে, চার মারেন সূর্য। তবে ১৯তম ওভারে উসমান তারিকের বলে ৩২ রান করে আউট হন সূর্যকুমার। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত। রিঙ্কু সিং ১১ রানে অপরাজিত থাকেন, শেষ বলে ফেরেন অক্ষর প্যাটেল।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম আইয়ুব ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট পান উসমান তারিক ও সালমান আলী আগা।
এবিনিউজ টুয়েন্টিফোর বিডিডটকম//আর//