সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান নিয়ে কাউকে টার্গেট করে কাজ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
শুধু আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আমরা কাউকে টার্গেট করে কাজ করছি না। পেন্ডিং লিস্ট অনুসারে আমরা কাজ করছি।
সামনে আপনারা লক্ষ্য করবেন, আমরা কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কাজ পরিচালনা করছি না। '
অন্য কোনো উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে কি না জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, 'এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। যদি অভিযোগ এসে থাকে, তাহলে আইনের আওতায় তিনিও আসবেন। '
দুদক রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে- আসিফ মাহমুদের এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'দুদক একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
আমরা কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো মামলা পরিচালনা করছি না। ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে আইনানুগভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছি। '
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন এবং এর মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা চার দেশে পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ দুবাইয়ে ৪,৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩০০০ কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২০০০ কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১,৫০০ কোটি টাকা পাচার করেছেন।
এ ছাড়া শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ব্যয় ১,২০০ কোটি টাকা বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। ঘুষ, কমিশন, টেন্ডার, বদলি ও পদোন্নতি বাণিজ্যের মাধ্যমে এসব অর্থ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে।
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান নিয়ে কাউকে টার্গেট করে কাজ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। শুধু আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আমরা কাউকে টার্গেট করে কাজ করছি না। পেন্ডিং লিস্ট অনুসারে আমরা কাজ করছি।
সামনে আপনারা লক্ষ্য করবেন, আমরা কোনো পক্ষপাতিত্ব করে কাজ পরিচালনা করছি না। '
অন্য কোনো উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে কি না জানতে চাইলে দুদক সচিব বলেন, 'এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। যদি অভিযোগ এসে থাকে, তাহলে আইনের আওতায় তিনিও আসবেন। '
দুদক রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে- আসিফ মাহমুদের এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'দুদক একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
আমরা কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো মামলা পরিচালনা করছি না। ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে আইনানুগভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছি। '
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে অর্জন এবং এর মধ্যে ১১ হাজার কোটি টাকা চার দেশে পাচারের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ দুবাইয়ে ৪,৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩০০০ কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২০০০ কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১,৫০০ কোটি টাকা পাচার করেছেন।
এ ছাড়া শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পে ব্যয় ১,২০০ কোটি টাকা বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। ঘুষ, কমিশন, টেন্ডার, বদলি ও পদোন্নতি বাণিজ্যের মাধ্যমে এসব অর্থ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে।
এবিনিউজ টুয়েন্টিফোর বিডিডটকম//আর//