Publish: Friday, 18 September, 2026, 1:34 AM
চট্টগ্রাম ওয়াসার পানির বিল খাতে বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাছে ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। যা মোট পাওনার ২৭.৬৩ শতাংশ। আর সাধারণ গ্রাহকদের কাছে বকেয়া ১৮৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। শতাংশের হিসেবে যা ৭২. ৩৭ শতাংশ। ওয়াসা কর্মকর্তারা বলছেন, এই বিপুল বকেয়া আদায়ে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে আটটি টীম। যারা সফলভাবে রাজস্ব আদায় করেছেন তাদেরকে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। বিল আদায়ে নতুন রেকর্ডও করেছে সংস্থাটি। গেল জুলাইয়ে ২৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা ও আগস্ট মাসে ২৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। যা অতিতের রেকর্ড ভেঙেছে।
বুধবার চট্টগ্রাম ওয়াসার বোর্ড রুমে সফলভাবে বকেয়া রাজস্ব আদায়কারীদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রশংসাসূচক সনদ এবং সর্বোচ্চ বকেয়া আদায়কারী তিন জন মিটার পরিদর্শককে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সেলিম মো. জানে আলম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাসিক আয় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও জুলাই ও আগস্টে সেই রেকর্ড ভেঙে ৮-১০ কোটি টাকা বেশি আদায় করা হয়েছে। রাজস্ব আদায়ে কর্মকর্তাদের আরো কর্মনিষ্ঠ ও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন। আমরা রাজস্ব আদায়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। তারই অংশ হিসেবে একটি বিশেষ মনিটরিং টীম গঠন করা হয়েছে। একইসাথে রাজস্ব ও প্রকৌশল শাখার সমন্বয়ে আটটি টীম গঠন করা হয়। যারা গত দুই মাস ধরে মাঠে শুধু রাজস্ব নিয়ে কাজ করছে।
ওয়াসা সূত্র জানায়, ২৫ হাজার টাকার বেশি বকেয়াকে প্রাধান্য দিয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করছেন। পাশপাশি গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য ডাটাবেজ তৈরি, অবৈধ সংযোগ ও নলকূপ সনাক্ত করা হচ্ছে। অবৈধ সংযোগ ও লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপের বিরুদ্ধেও তদারকি কার্যক্রম চালাচ্ছে টীমগুলো।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রশাসন) শারমিন আলম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশল) বিষ্ণু কুমার সরকার, সচিব শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী, বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক সাজিয়া পারভীন, প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম।
এবিনিউজ টুয়েন্টিফোর বিডিডটকম//এফ//