Advertisement
বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়া ১৪ হাজার কোটি টাকা
বিশেষ প্রতিনিধি
Publish: Monday, 9 February, 2026, 9:00 PM Update: 09.02.2026 9:09 PM

ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক ৪৪ বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাওনা বকেয়া পড়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। কোম্পানি ভেদে ৮ থেকে ১০ মাস পর্যন্ত বিল বকেয়া পড়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশন( বিপপা)।


সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) হোটেল সোনারগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেছে বিপপা।


কয়লাসহ সব বিদ্যুৎকেন্দ্রের বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। বকেয়া রেখে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো কঠিন। যে কারণে আগামী মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

বিপপার সাবেক চেয়ারম্যান ইমরান করিম বলেন, বিল প্রদানে বিলম্ব, ডলারের দাম বৃদ্ধি, ব্যাংক সুদের কারণে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। বকেয়ার ফলে জ্বালানি আমদানির বিল প্রদান করা কঠিন হচ্ছে। এই সংকটের কারণেই বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।


তিনি বলেন, একটি বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে কেমন আচরণ করে, আর আমাদের সঙ্গে ভিন্ন রকম আচরণ করা হচ্ছে। অথচ চুক্তির শর্ত হুবহু একই। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বিল দিতে না পারলে বিপিডিবির বিদ্যুৎ চাওয়ার অধিকার রোহিত হবে। যখন উৎপাদন সীমিত করা হয়েছে, তখন এলডি (জরিমানা) কর্তন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, একই রকম পরিস্থিতিতে চীনা প্রতিষ্ঠান বরিশাল পাওয়ার কোম্পানির ২৭০ কোটি জরিমানা করা হয়। পরে সেই টাকা সঠিক যাচাইয়ের মাধ্যমে ফেরৎ দেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, নিজের মাঠে অফ ফিল্ড, কবে আমাদের জন্য ফিল্ড তৈরি হবে। বিদেশি কোম্পানির বিল ৩/৪ মাসের বেশি বকেয়া রাখা হয় না। আমাদের ৮ থেকে ১০ মাসের বকেয়া। অনেক বিদ্যুৎ কোম্পানি রয়েছে যারা ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না। তেল, খুচরা যন্ত্রপাতি ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে। এটা বিদেশি কোম্পানিরা ফলো করে না, তারা কি এমন পরিস্থিতি দেখেও বিনিয়োগ করতে আসতে চাইবে!

বিরোধটি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হলে বিইআরসিতে যাই। বিইআরসি বিপিডিবির সঙ্গে আলোচনা করার পরামর্শ দিলে তারা কোন রকম স্পেস দেয়নি।

ইমরান করিম আক্ষেপ করে বলেন, চীনা কোম্পানির জন্য চীন দূতাবাস চিঠি দিয়েছে। আমার জন্য কে দেবে। এ কারণে মনে হয় নিজের দেশের পাসপোর্ট রেখে বিদেশি পাসপোর্ট নেই। যাতে অন্তত আমার পক্ষে দাঁড়াবার জন্য কোন দূতাবাস থাকবে।

বিপপার প্রেসিডেন্ট ডেভিট হাসনাত বলেন, কমপক্ষে ৬০ শতাংশ বকেয়া না পেলে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালিয়ে নেওয়া কঠিন।

আমার মনে হচ্ছে ইচ্ছা করে নতুন সরকারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বলছে সবকিছু সুন্দর করেছে। তাহলে বিদ্যুৎ খাতে এতো বকেয়া থাকবে কেন! আমার মনে হয় ইচ্ছে করেই বিল প্রদান বন্ধ করা হয়েছে।

ক্যাপাসিটি পেমেন্ট সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার মনে হয় জ্বালানি উপদেষ্টাকে এই প্রশ্নের উত্তর জানতে চাওয়া উচিৎ। তিনি তার বইতে এ বিষয়ে বিষদ তুলে ধরেছেন। কেনো ক্যাপাসিটি পেমেন্ট প্রয়োজন।





এবিনিউজ টুয়েন্টিফোর বিডিডটকম//এফ//








Advertisement


Advertisement
সর্বশেষ সংবাদ
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন এমডি বাছির জামাল
শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ২ সহযোগী দেশি-বিদেশি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
চট্টগ্রামে শিক্ষা কর্মচারী ঐক্য পরিষদের ইফতার আয়োজন
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জীর্ণ জিরো পয়েন্ট পেল নতুন প্রাণ
ঈদে ৫ দিন বন্ধ থাকবে সংবাদপত্র
আরো খবর ⇒
সর্বাধিক পঠিত
এবার ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, দুই পাইলট নিহত
জনগণই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে: ডা. শাহাদাত হোসেন
‘বিদায়, বেইলি রোড’ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিবের আবেগঘন পোস্ট
তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ
শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কার পেলেন খালেদা জিয়াসহ ৬ নারী
সম্পাদক: শাহীন চৌধুরী
উপদেষ্টা সম্পাদক: হেলেনা বিলকিস চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: সৈয়দ আফজাল বাকের

অফিস: ২/১ হুমায়ুন রোড (কলেজ গেট) মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭ ফোন: ৮৮-০২-৪৮১১৯৪৯৫, হটলাইন: ০১৭১১-৫৮৩৬২৩, ০১৭১৭-০৯৮৪২৮
E-mail : [email protected], Web : www.abnews24bd.com
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এবিনিউজ